Wed. Apr 8th, 2020

এ টি এম কার্ডের অথবা ডেবিট কার্ডের এই তথ্য গুলো কখনো শেয়ার করবেন না- বিস্তারিত জানুন

1 min read

এ টি এম কার্ডের অথবা ডেবিট কার্ডের এই তথ্য গুলো কখনো শেয়ার করবেন না- বিস্তারিত জানুন

এ টি এম কার্ড অথবা ডেবিট কার্ড এখন প্রায় সকলের কাছেই আছে। বর্তমানে ডেবিট কার্ডের ব্যবহার সবাই বেশি করেন। এমনকি ব্যাঙ্ক এখন ডেবিট কার্ডই ইস্যু করে। এ টি এম কার্ড হল একটি প্লাস্টিকের তৈরি পেমেন্ট কার্ড। যার সঙ্গে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক রয়েছে এবং এই কার্ডটি শুধুমাত্র এ টি এম মেশিনে টাকা তোলার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।
ডেবিট কার্ড হল একটি প্লাস্টিকের তৈরি পেমেন্ট কার্ড। যার সঙ্গে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক রয়েছে। এই কার্ডটি এ টি এম মেশিন থেকে টাকা জমা,তোলা এবং অনলাইন লেনদেনের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। বর্তমানে ব্যাঙ্ক সকলকে ডেবিট কার্ড দিয়ে থাকেন। ডেবিট কার্ড তিন ধরনের হয় ১) Visa ২) MasterCard ৩) RuPay । 
১) Visa ও ২) MasterCard
Visa, MasterCard  দুটি ভারতের বাইরের কোম্পানির এবং এই কার্ড দুটি ভারতের বাইরে লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা যাবে। এই কার্ড দুটির ক্ষেত্রে ইস্যু এবং লেনদেনের মূল্য অনেক বেশি।
৩) RuPay
Rupay কার্ডটি ভারতের কোম্পানির হওয়ার জন্য ইস্যু এবং লেনদেনের মূল্য অনেক কম দিতে হয়। এই কার্ডটি ভারতের বাইরের ব্যবহার করা যাবে না। বিশেষ Rupay কার্ড পাওয়া যায়, যেগুলো ভারতের বাইরে ব্যবহার করতে পারেন।
Online Transaction

ডেবিট কার্ডের মধ্যে থাকা বিভিন্ন তথ্য:

i) ডেবিট কার্ডের সামনের দিকের তথ্য গুলি হল-
উপরের ছবিতে নম্বর অনুসারে তথ্য গুলো দেওয়া হল-
১) ব্যাঙ্কের লোগো(Bank Logo)
২) ই এম ভি চিপ (EMV chip), এই চিপটি থাকতেও পারে আবার নাও পারে। এটি ব্যাঙ্কের উপর নির্ভর করে।
৩) হলোগ্রাম (Hologram),  অনেক কার্ডের ক্ষেত্রে এটি পেছনে থাকে।
৪) কার্ড নম্বর (Card Number),১৬  সংখ্যার হয়, শেষের চারটি সংখ্যা একক হয়।
৫) কার্ড কোম্পানির লোগো ( Card brand logo)।
৬) কার্ডের বৈধতা (Expiration date)।
৭) কার্ডধারীর নাম (Cardholder’s name)।
ii) ডেবিট কার্ডের পেছনের দিকের তথ্য গুলি হল-
Debit Card
উপরের ছবিতে দেওয়া নম্বর অনুসারে তথ্য গুলো দেওয়া হল-
১) চুম্বকের পটি ( Magnetic stripe)
২) স্বাক্ষর (Signature)।
৩) সি ভি সি নম্বর ( CVC Number  – Card Verification Code ) , এটি কার্ডের সিকিউরিটি কোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ডেবিট কার্ডের সিকিউরিটি কোড হিসেবে আরও চারটি গোপন নম্বর দেওয়া হয়। এই কোড নম্বর  এ টি এম থেকে টাকা লেনদেনের সময় ব্যবহার করা হয়।


কিছু সতর্কতা

১। এ টি এম থেকে টাকা লেনদেনের জন্য গোপন চারটি নম্বর লাগে এবং এই গোপন নম্বর কখনো কোনো ব্যক্তিকে বলবেন না।
২। অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে   Card no , CVC no,  Expiration date, Cardholder’s name, OTP or PIN code প্রয়োজন হয়। OTP ( One Time Password ) হল এক মুহুর্তের জন্য গোপন নম্বর। এটি অনলাইন লেনদেনের সময় আপনার ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত রাখা মোবাইল নাম্বারে আসে। এই কোডটির বৈধতা কিছু সময়ের জন্যই থাকে। এই কোডটি কখনো কোনো অজানা ব্যাক্তিকে বলবেন না।
৩। অনেক অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে আপনার গোপন চারটি নম্বরের সাহায্যে হয়ে যায় কিন্তু আপনার মোবাইল নাম্বারে কোনো কোড আসবে না। তাই গোপন নম্বর শেয়ার করবেন না।
৪। বিভিন্ন ব্যক্তি ব্যাঙ্কের নাম অথবা বিভিন্ন কোম্পানির নামে ফোন করে আপনার কাছ থেকে কার্ডের বিভিন্ন তথ্য নেবে এবং এরপর আপনার গোপন নম্বর অথবা আপনার মোবাইল ফোনে আসা OTP নম্বর জিজ্ঞাসা করে আপনার ব্যাঙ্কের টাকা চুরি করে নিতে পারে। গ্রামের অনেকেই এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না। তাই গ্রামে এমন চুরির ঘটনা বেশি ঘটে। তাই  আপনার কার্ডের তথ্য অজানা ব্যাক্তিকে বলবেন না, এমনকি ব্যাঙ্ক এতো কিছু তথ্য আপনার কাছে জানতে চাই না। 
নিজে সতর্ক থাকুন এবং সকলকে সতর্ক করুণ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *